<?xml version="1.0" encoding="utf-8" standalone="yes"?><rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"><channel><title>তরুণ কুমার জানা</title><link>https://tarunjana.in/bn/</link><description>Recent content on তরুণ কুমার জানা</description><generator>Hugo</generator><language>bn</language><lastBuildDate>Fri, 28 Nov 2025 20:12:48 +0530</lastBuildDate><atom:link href="https://tarunjana.in/bn/index.xml" rel="self" type="application/rss+xml"/><item><title>কাগজ ভাঁজ করে চাঁদে যাওয়া</title><link>https://tarunjana.in/bn/posts/kagaj-vanj-kore-chande-jawa/</link><pubDate>Thu, 14 Sep 2023 20:39:33 +0530</pubDate><guid>https://tarunjana.in/bn/posts/kagaj-vanj-kore-chande-jawa/</guid><description>&lt;p&gt;কয়েকদিন আগেই চন্দ্রযান - ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে ল্যান্ড করেছে। কিন্তু আমি একটা খবর তোমাদের&lt;br&gt;
চুপিচুপি জানিয়ে রাখি শোনো: চাঁদে যাওয়ার জন্যে কোনো মহাকাশযান দরকার নেই, সামান্য একটা কাগজ হলেই
যথেষ্ট। সত্যি সত্যিই চাঁদে যাওয়া যাবে না; কিন্তু কাগজটা যদি মোট বিয়াল্লিশ বার ভাঁজ করা হয়, তাহলে সেটা
এতটাই মোটা হয়ে যাবে, যাতে পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বকে ছাড়িয়ে যাবে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;কথাটা ঠিক বিশ্বাস হলো না, তাইতো? তাহলে হিসেবটা করেই দেখা যাক।&lt;/p&gt;</description></item><item><title>দুঃস্বপ্ন</title><link>https://tarunjana.in/bn/posts/duswopno/</link><pubDate>Sun, 25 Apr 2021 19:37:01 +0530</pubDate><guid>https://tarunjana.in/bn/posts/duswopno/</guid><description>&lt;p&gt;কখনো কখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়৷ বিছানা থেকে নেমে হাঁটতে শুরু করি। জুতোর ভেতর মোরামের কুচি ঢুকে যায়। আমি
মাথা নীচু করে জুতোর ফিতে খুলে ফেলি। জুতোর ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে আস্ত ত্রিকোণমিতি। মুখ তুলে দেখি মাধ্যমিকের
দরজায় দাঁড়িয়ে আছি, বাবার হাত ধরে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;কখনো কখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায়। মনে পড়ে যায় ক্লাস ফোরে হারিয়ে যাওয়া আধখাওয়া পেন্সিলটার কথা। মা খাটের তলায়
ঢুকতে বারণ করেছিলো; তাই আজও সেই পেন্সিলটা নিখোঁজ। আমি নিষিদ্ধ আনন্দে শরীরটা ঢুকিয়ে দিই খাটের তলায়। আর
তখনই সারাজীবনের সমস্ত পাপ আমাকে মৌমাছির মত ছেঁকে ধরে। আচ্ছন্ন হয়ে পড়তে পড়তে বুঝতে পারি, মায়েদের কথা শুনতে
হয়!&lt;/p&gt;</description></item><item><title>বাড়ি</title><link>https://tarunjana.in/bn/posts/bari/</link><pubDate>Fri, 12 Mar 2021 13:04:52 +0530</pubDate><guid>https://tarunjana.in/bn/posts/bari/</guid><description>&lt;p&gt;হাতে দু-চার পয়সা এলে একটা বাড়ি বানাবো। সেই বাড়ির বারান্দা থেকে ঢিল ছুঁড়লে তেপান্তরের মাঠে হারিয়ে যাবে;
আর সকালবেলা বাজারের থলি হাতে বেরোলে পৌঁছানো যাবে কোনো এক অখ্যাত হল্ট স্টেশনে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সন্ধ্যেবেলা দূরের শহরতলিতে যখন টিমটিমে আলোগুলো জ্বলে উঠবে, তখন ফাঁকা স্টেশনের বেঞ্চে গিয়ে বসবো।
চা-ওয়ালা দাদু হাতে ধরিয়ে দেবে মাটির ভাঁড়। সেই চায়ের চিনির মাত্রা এক-আধ দিন কম-বেশি হলেও ভালোবাসার
কমতি হবে না কোনোদিন।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;রাত নেমে আসবে হিংস্র শ্বাপদের মতো। মায়ের ফোন আসবে বাড়ি থেকে। আমি চতুর্থ ভাঁড়টা সশব্দে ছুঁড়ে মারবো
ইস্পাতের সমান্তরাল রেখাদুটোর মাঝখানে। ঠিক তার কয়েক মুহূর্ত পরেই না-থামার পরোয়ানা নিয়ে সদম্ভে ছুটে আসবে
কোনো এক্সপ্রেস ট্রেন। পোড়ামাটির টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়বে, আমার অধরা স্বপ্নের মতো।।&lt;/p&gt;</description></item><item><title>আসতে পারো</title><link>https://tarunjana.in/bn/posts/aste-paro/</link><pubDate>Thu, 17 Dec 2020 12:14:39 +0530</pubDate><guid>https://tarunjana.in/bn/posts/aste-paro/</guid><description>&lt;p&gt;পাতা ঝরে যায় পুরোনো স্মৃতির মতো;&lt;br&gt;
চোরাবালি জানে তলিয়ে যাওয়ার সুখ।&lt;br&gt;
বোরোলিনে সারে মনের ক্রনিক ক্ষত?&lt;br&gt;
হৃদপিন্ডকে বোকারাই ভাবে বুক।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমিও ভাবছি, ছুটি নিই ক&amp;rsquo;টা দিন;&lt;br&gt;
ইঁদুর-দৌড়ে ক্লান্তি বাড়ছে আরো।&lt;br&gt;
চায়ের গুমটি খোলা থাকে ছ&amp;rsquo;টা দিন;&lt;br&gt;
সময় থাকলে তুমিও আসতে পারো।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বিশ্বাসে আমি হোমারের মতো, কানা।&lt;br&gt;
ভালোবাসলে মোমের মতোই গলি।&lt;br&gt;
আমার তো নেই পক্ষীরাজের ডানা;&lt;br&gt;
স্বপ্নগুলোকে দিলেম জলাঞ্জলি।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;আমার পকেটে খুচরো দুঃখ ভরা;&lt;br&gt;
বছর ফুরোতে বাকি দিন দশ-বারো।&lt;br&gt;
তোমার ভাঁড়েও ঢেলে দেবো শর্করা,&lt;br&gt;
ইচ্ছে থাকলে সঙ্গে আসতে পারো।&lt;/p&gt;</description></item><item><title>লোকাল ট্রেনের গল্প</title><link>https://tarunjana.in/bn/posts/local-trainer-golpo/</link><pubDate>Sat, 06 Jul 2019 19:27:51 +0530</pubDate><guid>https://tarunjana.in/bn/posts/local-trainer-golpo/</guid><description>&lt;p&gt;আমি তখন খড়গপুরের কাছে।&lt;br&gt;
লোকাল ট্রেনে ভীষণ ঘেমে-নেয়ে&lt;br&gt;
অফিস-ফেরত নিত্যদিনের মতো;&lt;br&gt;
বৃষ্টি, তোমার জন্যে ছিলেম চেয়ে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বৃষ্টি, তুমি তখন বোধহয় পঁচিশ,&lt;br&gt;
নামী কোনো স্কুলের দিদিমনি।&lt;br&gt;
আমি তখন ব্যাঙ্কে&amp;hellip;ঠান্ডা ঘরে&lt;br&gt;
টাকার হিসেব মেলাই; সাবধানী।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বসলে তুমি আমার মুখোমুখি,&lt;br&gt;
অল্প হাসির আভাস নিয়ে মুখে।&lt;br&gt;
স্বল্প চেনা নিত্যযাত্রী দু&amp;rsquo;জন;&lt;br&gt;
আলাপ করার তীব্র ইচ্ছে বুকে।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;বললে তুমি,&amp;ldquo;বলুন, কেমন আছেন?&amp;rdquo;&lt;br&gt;
হেসে বললেম,&amp;ldquo;যাচ্ছে চলে&amp;hellip;এইই&amp;hellip;&amp;rdquo;&lt;br&gt;
ঠিক তখনই বৃষ্টি নামলো জোরে,&lt;br&gt;
বুঝিয়ে দিলো ভিজতে বাধা নেই।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;সেদিন থেকে বৃষ্টি তোমার প্রেমে&lt;br&gt;
চলছি ভিজে বিকেল থেকে সকাল।&lt;br&gt;
আমাদের পথ এক করে দিয়ে গেছে&lt;br&gt;
পাঁচটে কুড়ির মেদিনীপুর লোকাল।।&lt;/p&gt;</description></item><item><title>বন্ধুর বাড়ি যেও না!</title><link>https://tarunjana.in/bn/posts/bondhur-bari-jeo-na/</link><pubDate>Mon, 05 Nov 2018 13:24:31 +0530</pubDate><guid>https://tarunjana.in/bn/posts/bondhur-bari-jeo-na/</guid><description>&lt;p&gt;স্টেশনের নাম ঝাঁটিপাহাড়ি। অনেকক্ষন ধরেই দাঁড়িয়ে আছে হলদিয়া-আসানসোল এক্সপ্রেস। যে দাদা ট্রেনে ঘুগনি বিক্রি
করছিলেন, তিনি বললেন লাইনে নাকি কাজ চলছে, সেজন্যে সিগন্যালের সমস্যা। আরো কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকবে কে জানে!
ট্রেনে উঠলেই আমার আবার খুব ক্ষিদে পায়। এর মধ্যেই আমি দু&amp;rsquo;বার মশলামুড়ি, দু&amp;rsquo;বার ঘুগনি আর একবার আলুর চপ কিনে
খেয়ে ফেলেছি। গরম গরম শিঙাড়া দেখে কিনবো নাকি ভাবছি, ঠিক সেই সময়ই আমার চন্দনের কথা মনে পড়লো।&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;চন্দন আমার কলেজ জীবনের বন্ধু। হোস্টেলে আমরা রুমমেট ছিলাম। চন্দনের কম্পিউটার সায়েন্স আর আমার অঙ্ক অনার্স।
ওর বাড়ি যেতে হলে ঝাঁটিপাহাড়িতেই নামতে হয়। চন্দন এখন একটা নামী কোম্পানিতে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। চেন্নাইতে
থাকে। সপ্তাহখানেক আগে ফোনে কথা হয়েছিল। বলেছিল পনেরো দিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসছে। আজকে এখানে নেমে
পড়লে কেমন হয়? এই ফাঁকে চন্দনের সঙ্গে দেখাও হয়ে যাবে।&lt;/p&gt;</description></item></channel></rss>