হাতে দু-চার পয়সা এলে একটা বাড়ি বানাবো। সেই বাড়ির বারান্দা থেকে ঢিল ছুঁড়লে তেপান্তরের মাঠে হারিয়ে যাবে; আর সকালবেলা বাজারের থলি হাতে বেরোলে পৌঁছানো যাবে কোনো এক অখ্যাত হল্ট স্টেশনে।
সন্ধ্যেবেলা দূরের শহরতলিতে যখন টিমটিমে আলোগুলো জ্বলে উঠবে, তখন ফাঁকা স্টেশনের বেঞ্চে গিয়ে বসবো। চা-ওয়ালা দাদু হাতে ধরিয়ে দেবে মাটির ভাঁড়। সেই চায়ের চিনির মাত্রা এক-আধ দিন কম-বেশি হলেও ভালোবাসার কমতি হবে না কোনোদিন।
রাত নেমে আসবে হিংস্র শ্বাপদের মতো। মায়ের ফোন আসবে বাড়ি থেকে। আমি চতুর্থ ভাঁড়টা সশব্দে ছুঁড়ে মারবো ইস্পাতের সমান্তরাল রেখাদুটোর মাঝখানে। ঠিক তার কয়েক মুহূর্ত পরেই না-থামার পরোয়ানা নিয়ে সদম্ভে ছুটে আসবে কোনো এক্সপ্রেস ট্রেন। পোড়ামাটির টুকরোগুলো ছড়িয়ে পড়বে, আমার অধরা স্বপ্নের মতো।।