বন্ধুর বাড়ি যেও না!

স্টেশনের নাম ঝাঁটিপাহাড়ি। অনেকক্ষন ধরেই দাঁড়িয়ে আছে হলদিয়া-আসানসোল এক্সপ্রেস। যে দাদা ট্রেনে ঘুগনি বিক্রি করছিলেন, তিনি বললেন লাইনে নাকি কাজ চলছে, সেজন্যে সিগন্যালের সমস্যা। আরো কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকবে কে জানে! ট্রেনে উঠলেই আমার আবার খুব ক্ষিদে পায়। এর মধ্যেই আমি দু’বার মশলামুড়ি, দু’বার ঘুগনি আর একবার আলুর চপ কিনে খেয়ে ফেলেছি। গরম গরম শিঙাড়া দেখে কিনবো নাকি ভাবছি, ঠিক সেই সময়ই আমার চন্দনের কথা মনে পড়লো। চন্দন আমার কলেজ জীবনের বন্ধু। হোস্টেলে আমরা রুমমেট ছিলাম। চন্দনের কম্পিউটার সায়েন্স আর আমার অঙ্ক অনার্স। ওর বাড়ি যেতে হলে ঝাঁটিপাহাড়িতেই নামতে হয়। চন্দন এখন একটা নামী কোম্পানিতে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। চেন্নাইতে থাকে। সপ্তাহখানেক আগে ফোনে কথা হয়েছিল। বলেছিল পনেরো দিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসছে। আজকে এখানে নেমে পড়লে কেমন হয়? এই ফাঁকে চন্দনের সঙ্গে দেখাও হয়ে যাবে। ...

5 নভেম্বর, 2018 · 8 মিনিট · 1601 টি শব্দ · তরুণ কুমার জানা